@media only screen and (max-width: 768px) { body { font-size: 16px; line-height: 1.5; padding: 0 10px; } .post-body, .post-body img { max-width: 100%; height: auto; display: block; } .sidebar, .sidebar-wrapper { width: 100%; float: none; margin-top: 20px; } .main, .blog-posts { width: 100%; float: none; } .menu, .tabs, .tabs-inner { overflow-x: auto; white-space: nowrap; -webkit-overflow-scrolling: touch; } .menu li, .tabs li { display: inline-block; float: none; } iframe, video, embed { max-width: 100%; height: auto; } table, .table { width: 100%; display: block; overflow-x: auto; } .footer, .header, .nav { text-align: center; } }

শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০২৪

নতুন বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম জেনে নিন খুব সহজে.

বিকাশ একাউন্ট খোলার  নিয়মসমুহ :
কয়েকটি ধাপ  অনুসরণ  করিয়া বর্তমানে প্রায় সকল অপারেটরে গ্রাহকগণ  নিজের ফোনেই বিকাশ একাউন্ট খোলে ফেলতে পারেন।  বিকাশ অ্যাপ ডাউনলোড করে  ফোনের অ্যাপ থেকেই ঘরে বসে একাউন্ট খুলতে পারবেন নিচের  কযেকটি ধাপ অতিক্রিম  করে।
একাউন্ট খুলতে যা  যা লাগবে-
১। স্মার্টফোন
২। জাতীয় পরিচয়পত্র ৷ 


মোবাইলে বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম ..

১ | বিকাশ অ্যাপে লগিন করুন |লিংকটিতে প্রবেশ করে Register এ ক্লীক করুন ..

https://www.bkash.com/app?referrer=uuid%3DC1DD8FC1

২। একটি  অপারেটর বেছে  নিন।
৩ | মোবাইল নাম্বার অপশনে একটি মোবাইল নাম্বার দিন ।
৪ |মোবাইল নাম্বারে পাঠানো ভেরিফিকেশন কোড দিয়ে পরের  অপশনে যান।
৫ |শর্তাবলি দেখে সম্মতি দিন।
৬। মূল জাতীয় পরিচয়পত্রের সামনের অংশ ও পেছনের অংশের ছবি তুলুন। 
৭। ফোনের ক্যামেরা দিয়ে নিজের চেহারার ছবি  উটান ৷
৮। তথ্য সাবমিট করুন অপশনে ক্লীক করে এগিয়ে যান।
৯। ফোনে একটা ভেরিফিকেশন কোড আসবে এস এম এস দ্বারা ৷
১০। এস এম এস আসার পর সঠিক জায়গায় বসিয়ে কনফার্ম করুন | এসএমএস টি পাওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পিন সেট করতে হবে। পিন সেট করতে অ্যাপে এসে পিন সেট করুন অপশনে ট্যাপ করে ৫ সংখ্যার পিন দিয়ে নিশ্চিত করুন।
১১। তারপর বিকাশ অ্যাপে লগইন করুন।

   



( আপনার গোপন পাস ওয়ার্ড  নিরাপদ রাখুন।)

নিকটবর্তী ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পয়েন্টে ও বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন ৷

সেজন্য যা যা দরকার :
১। একটি মোবাইল ফোন
২। জাতীয় পরিচয় পত্র

 নিয়মাবলী:

১। এজেন্ট আপনার মোবাইল নাম্বার ও অপারেটর নিশ্চিত করিয়া একাউন্ট খোলার জন্য অনুমতি দেবেন। 
২। আপনার নাম্বারে পাঠানো  OTP নাম্বারটি নেবেন। সঠিক অপশনে 
বসিয়ে ভেরিফিকেশন করুন |
Facebook ৩। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের সামনের ও পেছনের ছবি তুলিবেন৷
৪। এজেন্ট হইতে কেওয়াইসি এন্ট্রির জন্য আপনার একটি ছবি তুলবেন। 
৫। সফল রেজিস্ট্রেশন  হলে একটি কনফার্মেশন কোড এসএমএস  এ পাবেন। 

আপনার মোবাইল মেন্যু অ্যাক্টিভেট করতে নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করুন:
১। *২৪৭# ডায়াল করে বিকাশ মোবাইল মেন্যুতে যান।
২ | বিকাশ একাউন্টের জন্য ৫ ডিজিটের পিন নাম্বারটি প্রবেশ করান
৩৷ এক্টিভেট মোবাইল ম্যানু বেছে নিন .
৪। নিশ্চিত করার জন্য আপনার পিন নাম্বারটি পুনরায় প্রবেশ করান  |

পিন নাম্বার কাউকে দিবেন না

সকল ধাপ সঠিক ভাবে পার করিয়া আপনার মোবাইল নাম্বারটি একটি বিকাশ একাউন্ট নাম্বার হিসেবে গণ্য হইবে ৷আপনার বিকাশ একাউন্টির     দ্বারা প্রাথমিক ভাবে মোবাইল রিচার্জ, অ্যাড মানি এবং ক্যাশ ইন সেবা ব্যবহার করতে পারবেন ৷তবে, আপনার KYC ফরম এর তথ্য যাচাই হয়ে গেলে, ৩-৫ দিনের মধ্যে আপনি “ক্যাশ আউট ”  মোবাইল রিচার্জ পেমেন্টসহ   অন্যান্য সেবা সমূহ  নিতে পারবেন ৷ একাউন্টটি পুরোপুরি  সক্রিয় হওয়ার পর *247# ডায়াল করে দিন রাত ২৪ ঘণ্টা বিকাশের সকল সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। 

বিকাশ একাউন্ট করতে লিংকে ক্লিক করুন ..
    অ্যাপ ডাউনলোড ও সাইন আপ করতে ট্যাপ করুন: https://bka.sh/next?c=signup&uuid=C1DD8FC1

বিকাশ  সম্পর্কে মানুষ যা জানতে চাই?
 বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা পাঠালে কিভাবে ফেরত পাবো?
উত্তর :
ভুল নাম্বারে টাকা চলে গেলে   গেলে টাকা ফিরিয়ে আনার কোনো নিশ্চিত  সমাধান নেই তবুও  টাকা  যেই নাম্বারে  গিয়েছে উক্ত নাম্বারে কল করিয়া ভুল নাম্বারে টাকা চলে যাওয়ার বিষয়টি জানিয়ে টাকা ফেরত চাইতে পারেন। তবে দ্রুত বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে সহযোগিতা চাইলে তারা সহযোগিতা প্রদান করিবে |

যদি বিকাশ এজেন্ট নাম্বারে  ভুলে  টাকা গিয়ে থাকে সেক্ষেত্রে অনেক সময়   সহজে টাকা ফেরত পাওয়া যায় | তবে এটাও নিশ্চিতভাবে  বলা যায়না।                     তাই ভালভাবে নাম্বার চেক করিয়া টাকা পাঠান


বিকাশের ক্যাশব্যাক কি সুদের অন্তর্ভূক্ত?


 ক্যাশ ব্যাক-এ যে টাকা টা সেটা কি সুদের অন্তর্ভুক্ত? এটা খরচ করা জায়েজ হবে?

উত্তর:
বিকাশ এবং তাদের বিজনেস্ পার্টনার ( যে সকল কোম্পানী বিকাশের সাথে চুক্তিবদ্ধ) বিভিন্ন ব্র্যান্ড, দোকান বা প্রতিষ্ঠানে বিকাশের মাধ্যমে লেনদেন করা হইলে তারা তৎক্ষণাৎ নির্ধারিত মূল্য থেকে কিছু টাকা ফেরত  প্রদান করিয়া থাকেন। এটাই  হল ক্যাশ ব্যাক।
উদাহরণস্বরূপ: আপনি যদি বিকাশের সাথে চুক্তিবদ্ধ কোন দোকান বা প্রতিষ্ঠান থেকে ২০০০ টাকার পণ্য ক্রয় করেন এবং সেই টাকাটা বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট করার কারণে মনে করেন আপনি 80 টাকা ফেরত পেলেন। অর্থাৎ আপনি বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট করার কারণে উক্ত পণ্যটা পেলেন ১৯৬০ টাকায়। এটা হচ্ছে মূলত বিকাশ এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত গ্রাহক আকৃষ্ট করার পদ্ধতি। এতে একদিকে বিকাশের প্রচার-প্রচারণা এবং গ্রাহক বৃদ্ধি হয় অপরদিকে উক্ত প্রতিষ্ঠানেরও প্রচার-প্রচারণা এবং বিক্রয় বৃদ্ধি লাভ করে |

অর্থাৎ আপনি সঠিক মূল্যে পন্য ক্রয় করার কারণে পণ্যের মালিক আপনাকে ছাড় দিয়েছে। এক্ষেত্রে বিকাশ এবং ঐ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি থাকে এবং পরবর্তীতে তারা গ্রাহককে দেওয়া এই ছাড়টা নিজেদের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী ভাগাভাগি করিয়া নেয়-যা তাদের উভয়ের প্রচার  প্রসারের খরচ  বাবদ গণ্য করা হয়। তবে আমরা জানি বিকাশ ব্র্যাক ব্যাংকের সাথে জড়িত  একটি সুদ ভিত্তিক আর্থিক পরিষেবা। তাই সুদভিত্তিক লেনদেন দ্বারা  প্রকারান্তরে তাদেরকেই  সহায়তা করা হয়।
সুতরাং ক্যাশ ব্যাক পাওয়ার আশায় কোন দোকান থেকে পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিকাশ সুদভিক্তিক লেনদেন  না করাই ভালো। বরং সরাসরি দোকানদারকে নির্দিষ্ট মূল্য পরিশোধ করেই পণ্য ক্রয় করা উচিত এবং এটাই সবচেয়ে নিরাপদ। আল্লাহু সবাইকে ভালো রাখুন | আমিন
Link:
https://www.facebook.com/mohammedomarfaruk.omarfaruk



 |

  

বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

বসন্তকাল: প্রকৃতির ক্লাসরুম ও অনলাইন লার্নিংয়ের পাঠশালা

বসন্তকাল: প্রকৃতির ক্লাসরুম ও অনলাইন লার্নিংয়ের পাঠশালা।বসন্তকাল প্রকৃতির পাঠশালা



ভূমিকা : 
বাংলাদেশে মোট ঋতু ছয়টি,
যেমন- গ্রীষ্ম, বর্ষা, সরৎ, হেমন্ত , শীত ও বসন্ত .
বাংলার ঋতুগুলোর মধ্যে বসন্তকালের স্থান বিশেষ। ফাল্গুন ও চৈত্র মিলিয়ে এই দুই মাস প্রকৃতি যেন নতুন রূপে সেজে ওঠে। শীতের শেষে গাছ থেকে ঝরে যাওয়া পাতা আবার নতুন কিশলয়ে ভরে যায়, চারদিকে ফুলের সমারোহ, আর কোকিলের ডাকে মুখরিত হয়ে ওঠে বন উপবন। কিন্তু শুধু কি এই প্রকৃতির সৌন্দর্যই বসন্তের পরিচয়? 
না। বসন্ত আমাদের জীবনে বয়ে আনে পরিবর্তনের বার্তা, নতুন শুরু করার প্রেরণা | ঠিক যেমন অনলাইন লার্নিং আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এনেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। আজকের এই ব্লগ পোস্টে আমরা বসন্তের সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি জানবো, কীভাবে এই ঋতু আমাদের শিক্ষা ও ডিজিটাল দক্ষতা বিকাশে অনুপ্রাণিত করতে পারে।

বসন্তের আবহাওয়া ও প্রকৃতি :
বসন্তকালে উত্তরের ঠাণ্ডা বাতাস থেমে যায় এবং দক্ষিণ থেকে উষ্ণ বাতাস বইতে শুরু করে। ফলে আবহাওয়া হয়ে ওঠে এক অপূর্ব শীতোষ্ণ অবস্থায় ,
যেখানে গরম নেই, আবার কাঁপানো ঠাণ্ডাও নেই। এই সময়টিকে ঋতুরাজ বা বসন্তের রাজা বলা হয় ,কারণ এর প্রতিটি মুহূর্ত মনকে প্রশান্তি দেয়। গাছে গাছে নতুন পাতা গজায় আর় বাতাসে ভেসে আসে আমের মুকুলের মিষ্টি গন্ধ, রঙিন প্রজাপতিরা ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ায়।

শিক্ষার সাথে সম্পর্ক: 
এই আবহাওয়ার পরিবর্তন আমাদের শেখায় যে পরিবর্তনই জীবনের চিরন্তন সত্য। অনলাইন লার্নিংও তেমনি ঐতিহ্যবাহী ক্লাসরুমের পরিবর্তে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষার্থীরা নতুনভাবে জ্ঞান অর্জন করছে। যেমন বসন্ত প্রকৃতিকে পুনর্জীবিত করে, তেমনই অনলাইন এডুকেশন আমাদের জ্ঞানচর্চায় নতুন প্রাণসঞ্চার করেছে।

বসন্তের ফুল, ফল ও প্রাণিজগৎ :
বসন্ত এলেই প্রকৃতি নিজের সর্বশ্রেষ্ঠ সাজে সেজে ওঠে। পলাশ, শিমুল, জুঁই, গাদা,দোলনচাঁপা আর নানা বর্ণের ফুল ফুটে । আম গাছে মুকুল আসে, যার ঘ্রাণে চারপাশ মাতোয়ারা হয়ে যায়। কোকিল তার মধুর কণ্ঠে ডাক দিয়ে জানিয়ে দেয় প্রকৃতির উৎসব শুরু হয়েছে। প্রজাপতি আর মৌমাছিরা ফুলে ফুলে ঘুরে মধু সংগ্রহ করে।

শিক্ষার সাথে সম্পর্ক: 
এই ফুল ফল আর প্রাণীদের কার্যকলাপ আমাদের অনলাইন লার্নিংয়ের বিভিন্ন কোর্সের কথা মনে করিয়ে দেয়। যেমন প্রতিটি ফুলের নিজস্ব রূপ ও গন্ধ আছে, তেমনই প্রতিটি অনলাইন কোর্সের নিজস্ব বিষয়বস্তু ও দক্ষতা রয়েছে। শিক্ষার্থীকে নিজের পছন্দের ফুল বা বিষয় বেছে নিতে হয়। আর কোকিলের ডাক হলো শিক্ষকের গাইডেন্সের মতো ,যা শেখার পথকে সহজ ও মধুর করে তোলে। 
এডুকেশন প্ল্যাটফর্মে যেমন ভিডিও টিউটোরিয়াল থাকে, বসন্তের এই প্রাকৃতিক ক্লাসরুমও তেমনই আমাদের নানা কিছু শেখায়।

বসন্তের উৎসব ও সামাজিক সংস্কৃতি :
প্রহেলা ফাল্গুন বাংলায় বসন্ত উৎসব হিসেবে পালিত হয়। মানুষ রঙিন পোশাক পরে, গান গায়, প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করে। 
এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে শিক্ষা শুধু বই পুস্তক পড়া নয়, বরং সংস্কৃতি, শিল্প ও সামাজিক মূল্যবোধও শিক্ষার অংশ।

শিক্ষার সাথে সম্পর্ক: অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্মে আজকাল 'সাংস্কৃতিক শিক্ষা'ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যেভাবে বসন্ত উৎসব মানুষকে একত্রিত করে, ঠিক তেমনিভাবে ডিজিটাল ক্লাসরুম বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীদের এক করে দেয়। শিক্ষা এখন আর সীমানাবদ্ধ নয় ,এটি গ্লোবাল এডুকেশন এ রূপ নিয়েছে।

বসন্ত ও আমাদের মনস্তত্ত্ব :
বসন্তে মানুষের মন প্রফুল্ল থাকে। রঙিন প্রকৃতি দেখে মানসিক চাপ কমে, সৃজনশীলতা বাড়ে। 
মনোবিজ্ঞানীরাও বলেছেন, প্রকৃতির সান্নিধ্য মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।
শিক্ষার সাথে সম্পর্ক: অনলাইনে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে দেখে চোখ ও মাথা ব্যথা, একা হয়ে পড়া, বিষণ্ণতা ইত্যাদি সব সমস্যা দেখা দেয়। বসন্ত আমাদের শেখায় যে, নিয়মিত প্রকৃতির কাছে ফিরে যাওয়া, মেডিটেশন করা বা সহজ যোগব্যায়াম করলে ডিজিটাল ডিটক্স সম্ভব। তাই অনলাইন ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে শিক্ষার্থীদের বাইরে বেরিয়ে কিছুক্ষণ প্রকৃতি উপভোগ করা উচিত এবং এটাই বসন্তের দেওয়া হেলথি এডুকেশন টিপস |

বসন্তে স্বাস্থ্য সচেতনতা :
বসন্তকালে হালকা রোগবালাই যেমন:-হাম, কলেরা, টাইফয়েড ইত্যাদি দেখা দেয়। তাই এই সময় সচেতন থাকা জরুরি। 
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ আর পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

শিক্ষার সাথে সম্পর্ক: যেভাবে বসন্তের রোগ প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা দরকার ঠিক তেমনই অনলাইন লার্নিংয়ের সময় সাইবার সিকিউরিটি ও ডিজিটাল হেলথ সম্পর্কেও সচেতন হতে হবে। শিক্ষার্থীদের উচিত সাইবার বুলিং, ফেক নিউজ, আর অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম থেকে নিজেদের রক্ষা করা। আর তাই ডিজিটাল এডুকেশন এর পাশাপাশি ডিজিটাল সেফটি শিক্ষাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বসন্ত থেকে শিক্ষণীয় বিষয়:
(১)পরিবর্তন মেনে নেওয়া: 
যেমন বসন্তে পুরনো পাতা ঝরে নতুন পাতা আসে ঠিক তেমনই শিক্ষার্থীদের উচিত পুরনো ধারণা বাদ দিয়ে নতুন প্রযুক্তি ও পদ্ধতি গ্রহণ করা।
(২)সহনশীলতা: 
বসন্তের আবহাওয়া যেমন মৃদু ঠিক তেমনই অনলাইন শিক্ষায়ও ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রয়োজন। ভালো ইন্টারনেট নেই, ডিভাইস সমস্যা ,এসব অতিক্রম করতে হয়।
(৩)বৈচিত্র্য: 
বসন্তের ফুল যেমন নানা রঙের ঠিক তেমনই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নানা ভাষা, সংস্কৃতিও দেশের শিক্ষার্থীরা একসাথে শিখে |
এটি মাল্টিকালচারাল এডুকেশন এর উদাহরণ।
(৪)আত্মউন্নয়ন: 
বসন্ত প্রতিটি জীবকে নতুন করে বাঁচার প্রেরণা যোগায় |আমাদের উচিত প্রতিদিন নতুন কিছু শিখে নিজেকে উন্নত করা। লাইফ লং লার্নিং এর মূলমন্ত্র এটি।

কবি-সাহিত্যিকদের বসন্তচিন্তা :
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বসন্ত কবিতায় লিখেছিলেন 'আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে'। জীবনানন্দ দাশও তাঁর কবিতায় বসন্তকে তুলে ধরেছেন নানাভাবে।
 এসব সাহিত্য শিক্ষার্থীদের ভাষাজ্ঞান, সৃজনশীলতা ও আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা বাড়ায়।

শিক্ষার সাথে সম্পর্ক: অনলাইন লার্নিংয়ের মাধ্যমে এখন বাংলা সাহিত্যের ওপর নানা কোর্স পাওয়া যায়। শিক্ষার্থীরা ইউটিউবে কবিতা আবৃত্তি শুনতে পারে ,ভার্চুয়াল বইমেলাতেও অংশ নিতে পারে। বসন্তের কবিতা আমাদের শিখায় যে, 
শিক্ষা কেবল বিজ্ঞান বা গণিত নয়, সাহিত্য ও শিল্পও এখন শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ।

উপসংহার :
বসন্তকাল শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রতীক নয় বরং এটি জীবন, শিক্ষা ও পরিবর্তনের এক জীবন্ত পাঠশালা। যেমন বসন্ত প্রতিবছর নতুন করে ফিরে আসে ঠিক তেমনই আমাদের জ্ঞানচর্চাও কখনো থেমে থাকে না।
 অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্মগুলো আজ সেই বসন্তের মতো |যারা শিখতে চায়, তাদের জন্য উন্মুক্ত, বৈচিত্র্যময় ও প্রাণবন্ত। তাই বসন্তের এই সময়ে আমরা প্রকৃতি উপভোগের পাশাপাশি নিজেদের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ানোর শপথ নিই। কারণ প্রকৃতি যেমন নতুন পাতা দেয় ঠিক তেমনই শিক্ষাও আমাদের দেয় নতুন ভাবনার ডানা। 
শিক্ষাই হলো চিরস্থায়ী বসন্ত ,যা কখনো শুকায় না, কেবলই প্রসারিত হয়।